মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল (ব্যাংক)

অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলঃ (ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনূকুলে ঋণ গ্রহনের বিপরীতে) দলিলের রেজিস্ট্রি খরচসহ অন্যান্য তথ্য

 

রেজিস্ট্রেশন ফিঃ ১০০ টাকা (ই-ফি)।

 

স্টাম্পশূল্কঃ ১০০০ টাকা (১৮৯৯ সালের স্টাম্প আইনের ১ নম্বর তফশিলের ৪৮সি নম্বর ক্রমিকে উল্লিখিত বর্ণনা অনুসারে)।

 

এছাড়া

১। ২০০ টাকার স্টাম্পে হলফনামা।

২। ই- ফিঃ- ১০০ টাকা।

৩। এন- ফিঃ-

    (i) বাংলায় প্রতি ৩০০ (তিন শত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ১৬ টাকা।

    (ii) ইংরেজি ভাষায় প্রতি ৩০০ (তিন শত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ২৪ টাকা।

৪। (নকলনবিশগনের পারিশ্রমিক) এনএন ফিসঃ-

    (i) বাংলায় প্রতি ৩০০ (তিনশত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ২৪ টাকা।

    (ii) ইংরেজি ভাষায় প্রতি ৩০০ (তিনশত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ৩৬ টাকা।

 

মন্তব্যঃ-

১। সকল ফি রেজিস্ট্রি অফিসে নগদে পরিশোধ করতে হবে।

২। সরকার নির্ধারিত হলফনামা, ২০০ টাকার স্টাম্পে প্রিন্ট করে মূল দলিলের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

 

বিঃদ্রঃ ১। অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮, এর ৫২এ ধারা প্রযোজ্য।

 

২। সিটি কর্পোরেশন বা জেলা সদরের পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত এক লক্ষ টাকার অধিক মূল্যের পাওয়ার অব অ্যাটর্ণি দলিল রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে ই-টিন বাধ্যতামূলক।

 

৩। পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে ক্ষমতা অর্পনে সীমাবদ্ধতাঃ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা, ২০১৫ এর ৪ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইনের উদ্দেশ্য পুরনকল্পে, এই বিধিমালার অধীন পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে নিম্নবর্ণিত বিষয়ে কোন ক্ষমতা অর্পণ করা যাবে না, যথা-

(১) উইল সম্পাদন, বা দাতা কর্তৃক সম্পাদিত উইল রেজিস্ট্রির উদ্দেশ্যে দাখিলকরন;

(২) দত্তক গ্রহনের ক্ষমতাপত্র সম্পাদন; বা দাতা কর্তৃক সম্পাদিত দত্তক গ্রহনের ক্ষমতাপত্র রেজিস্ট্রির উদ্দেশ্যে দাখিলকরন;

(৩) দান বা হেবা সম্পর্কিত ঘোষণা সম্পাদন;

(৪) ট্রাস্ট দলিল সম্পাদন; এবং

(৫) সরকার কর্তৃক, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, ঘোষিত অন্য প্রকার দলিল বা কার্য সম্পাদন।

 

৪। রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫২এ ধারা নিম্নরূপঃ

[কোন স্হাবর সম্পত্তির বিক্রয় দলিল দাখিল করা হলে, যে পর্যন্ত নিম্নবর্ণিত বিবরনাদি দলিলে অন্তর্ভূত এবং দলিলের সহিত সংযুক্ত না করা হয়, সেই পর্যন্ত নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দলিলটি নিবন্ধন করবেন না, যথা-

(ক) বিক্রেতা যদি উত্তরাধিকারপ্রাপ্তি  ব্যতিত অন্যভাবে সম্পত্তির মালিক হইয়া থাকেন, তাহলে “রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন,১৯৫০” এর অধীন তার নামে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ান;

(খ) বিক্রেতা যদি উত্তরাধিকার প্রাপ্তিতে সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকেন, তাহলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধিন তার নামে অথবা তার পূর্বসূরির নামে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ান;

(গ) সম্পত্তির প্রকৃতি ;

(ঘ) সম্পত্তির মূল্য;

(ঙ) সীমানা ও চৌহদ্দিসহ সম্পত্তির একটি নকশা;

(চ) সম্পত্তির মালিকানার গত ২৫ (পঁচিশ) বৎসরের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা; এবং

(ছ) এই দলিল সম্পাদনের পূর্বে সম্পাদনকারী সম্পত্তিটি কোন ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করেন নাই এবং উহাতে তাহার বৈধ স্বত্ব বহাল আছে মর্মে দৃঢ়ভাবে ঘোষনা করিয়া একটি হলফনামা।]

 

 

en_badge_web_generic

 

en_badge_web_generic

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter